Lead Banner

দ্বিতীয় ইনিংসেও কাঁপছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ

7

ক্রীড়া ডেস্ক: মেহেদী হাসানের ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ে মিরপুর টেস্টে বাংলাদেশের ৫০৮ রানের জবাবে ১১১ রানে অলআউট হয়ে ফলোঅনে পড়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৩৯৭ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয়বার ব্যাটিং করতে নেমে ৪৬ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে লাঞ্চ বিরতিতে গেছে ক্যারিবীয়রা। দ্বিতীয় ইনিংসে তাইজুল ইসলাম নিয়েছেন ২টি উইকেট। সাকিব আল হাসান আর মেহেদী মিরাজ নিয়েছেন একটি করে।

২০০৫ সালে চট্টগ্রাম টেস্টে জিম্বাবুয়েকে ২২৬ রানে পরাজিত করেছি বাংলাদেশ। টেস্টে ওটাই তাদের সবচেয়ে বড় জয়ের রেকর্ড।এর আগে কখনো প্রতিপক্ষকে ইনিংস ব্যবধানে হারাতে পারেনি বাংলাদেশ। টাইগারদের সামনে এখন সেই সুযোগ। কারণ ইনিংস ব্যবধান এড়াতে এখনও ৩৫১ রান করতে হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে এই টেস্টে জয় পেলে ঘরের মাঠে প্রথমবারের মত তাদেরকে হোয়াইটওয়াশ করবে বাংলাদেশ। এর আগে ২০০৯ সালে ক্যারিবীয় সফরে গিয়ে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জিতেছিল টাইগাররা। সবমিলিয়ে তৃতীয়বারের মতো প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করার কৃতিত্ব দেখাবে বাংলাদেশ।

৫ উইকেটে ৭৫ রান তুলে দ্বিতীয় দিন শেষ করেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। রোববার (২ ডিসেম্বর) তৃতীয় দিনে মাত্র ৫১ মিনিটি ব্যাটিং করেই বাকি ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলে অতিথিরা। এর মধ্যে মিরাজ একাই নিয়েছেন ৭ উইকেট, অধিনায়ক সাকিব আল হাসান নিয়েছেন ৩টি।

দিনের শুরুতেই ক্যারিবীয় শিবিরে আঘাত হানেন মিরাজ। শিমরন হেটমায়ারকে কট এন্ড বোল্ড করে বাংলাদেশকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন এই অফস্পিনার। ষষ্ঠ ব্যাটসম্যান হিসেবে ফেরার আগে ৫৩ বলে ৩৯ রান করেছেন হেটমায়ার।

এরপর দেবেন্দ্র বিশুকে (১) সাদমান ইসলামের ক্যাচ বানিয়ে নিজের পঞ্চম উইকেটের দেখা পান মিরাজ। নিজের পরবর্তী ওভারে এই অফস্পিনার তুলে নেন কেমার রোচকেও (১)। দলীয় ৯২ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে ধুকতে থাকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তাদের আর বেশিদূর এগোতে দেননি মিরাজ সাকিব। ১৯ রানের মধ্যেই বাকি দুটি উইকেট ভাগাভাগি করে নেন তারা।

এর আগে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ক্যারিয়ার সেরা ইনিংসে প্রথম ইনিংসে সবকটি উইকেট হারিয়ে ৫০৮ রান সংগ্রহ করেছিল বাংলাদেশ। মাহমুদউল্লাহ ১৩৬, অধিনায়ক সাকিব আল হাসান ৮০ আর অভিষিক্ত সাদমান ইসলাম করেছিলেন ৭৬ রান।

বীকনবাংলা/এসভি