Lead Banner

শার্শায় সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টকে কুপিয়ে খুন

7

ক্রাইম ডেস্ক: যশোরের শার্শা উপজেলায় জাহিদুল ইসলাম জাহিদ (৩২) নামে এক ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং (সিঅ্যান্ডএফ) এজেন্টকে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে। এ ঘটনায় ৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

গতকাল বুধবার (৫ ডিসেম্বর) রাতে উপজেলার নাভারনের কাজীরবেড় গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আজ বৃহস্পতিবার ভোরে ওই গ্রামের একটি কলাবাগান থেকে নিহত জাহিদুল ইসলামের বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

‘খুনের সঙ্গে জড়িত’ বিউটি খাতুন নামে এক নারীসহ ৫ জনকে আটক করা হয়েছে। আটক অন্য ব্যক্তিরা হলেন বিউটির মেয়ে সুমী খাতুন (২৫), স্থানীয় মুক্তার আলীর স্ত্রী রহিমা বেগম (৫০), খালিদের স্ত্রী ফেরদৌসী (৩২) ও তার ছেলে আল-আমিন (১৮)।

এলাকাবাসীর বরাতে পুলিশ জানায়, বেনাপোলের নারায়ণপুর গ্রামের বাসিন্দা নিহত জাহিদুল ইসলাম বিদেশ যাওয়ার জন্য সাত লাখ টাকা দেন নাভারনের কাজীরবেড় গ্রামের ঝড়ু দালালের স্ত্রী বিউটি খাতুনকে। টাকা নিয়ে বিদেশ না পাঠিয়ে টালবাহনা শুরু করেন বিউটি। কিন্তু বুধবার রাতে টাকা দেওয়ার কথা বলে বিউটি তার বাড়িতে ডেকে নেন জাহিদকে।

এদিকে, পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী বিউটি যশোর থেকে চার জন ভাড়াটে খুনি এনে বাসায় রাখেন। পরে জাহিদকে শৌচাগারে নিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে লাশটি বস্তাবন্দী করে পাশের একটি কলাবাগানে ফেলে দেয় খুনিরা।

জাহিদের বাড়ির লোকজন খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে বিউটির কাছে বিষয়টি জানতে চায়। তখন তিনি জাহিদের বিষয়ে কিছু জানেন না বলে জানান। পরে শার্শা থানা পুলিশকে অবহিত করা হলে পুলিশ বিউটিকে জিজ্ঞাসাবাদে জানতে পারেন, জাহিদকে খুন করা হয়েছে।

শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম মশিউর রহমান বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি, তারা ভাড়াটে খুনি দিয়ে জাহিদুল ইসলামকে কুপিয়ে হত্যা করেছে। আমরা এ ঘটনায় ৫ জনকে আটক করেছি। অন্যদের আটকের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।’

এছাড়া, ঘটনাস্থল থেকে খুনের আলামত উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলেও নিশ্চিত করে পুলিশ।

বীকনবাংলা/ এ এস