Lead Banner

আজ স্বৈরাচার পতন দিবস!

5

নিজস্ব প্রতিবেদক: আজ ৬ ডিসেম্বর। ১৯৯০ সালের এই দিনে গণ-আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করেন তৎকালীন স্বৈরশাসক এইচএম এরশাদ। সে সময় গণতন্ত্র মুক্তির জন্য আওয়ামী লীগ, বিএনপির নেতৃত্ব এবং বাম দলগুলোর জোট সম্মিলিতভাবে এরশাদ সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলে। আন্দোলন করতে গিয়ে প্রাণ হারান নাম জানা- অজানা অনেক অকুতোভয় মানুষ।

১৯৯০ সালের সম্মিলিত জোটের টানা কর্মসূচির কারণে ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হন এরশাদ। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ দিবসটি পালন করে ‘গণতন্ত্র মুক্তি দিবস’হিসেবে। বিএনপি পালন করে ‘স্বৈরাচার পতন ও গণতন্ত্র মুক্তি দিবস’হিসেবে। আর এরশাদের দল জাতীয় পার্টি (জাপা) দিবসটি পালন করে ‘সংবিধান সংরক্ষণ দিবস’হিসেবে।

জাপার নবনিযুক্ত মহাসচিব মশিউর রহমান রাঙ্গা গতকাল এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, আজ ‘সংবিধান সংরক্ষণ দিবস’পালনের জন্য দলের জেলা ও উপজেলাসহ সর্বস্তরের কমিটিকে অনুরোধ করেছেন।

এই দিবসটি উপলক্ষে গতকাল এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণতন্ত্রের ভিত্তিকে আরো শক্তিশালী করে দেশের উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কোনো ষড়যন্ত্রই আমাদের সত্য ও ন্যায় এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার পথ থেকে বিচ্যুত করতে পারবে না। নব্বই পরবর্তী দুই দশকে আওয়ামী লীগ গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার রক্ষায় দায়িত্বশীল ভূমিকা রেখেছে। সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে অবৈধ ক্ষমতা দখলের পথ রুদ্ধ হয়েছে।’

দিবাসটি সামনে রেখে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পৃথক বাণীতে বলেন, শত শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্র এখনো শঙ্কামুক্ত নয়। দিবসটি উপলক্ষে বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল পৃথক কর্মসূচি পালন করবে।

বীকনবাংলা/ এ এস