Lead Banner

একজন গ্রেপ্তার জুলহাজ-তনয় হত্যাকাণ্ডের

3

নিজেস্ব প্রতিবেদক: যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (ইউএসএআইডি) কর্মকর্তা জুলহাজ মান্নান ও তার বন্ধু মাহবুব তনয় হত্যাকাণ্ডের মূল হোতাদের একজন আসাদুল্লাহকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার সকালে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া ও পাবলিক রিলশন্স বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মাসুদুর রহমান পরিবর্তন ডটকমকে এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, মঙ্গলবার রাতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে টঙ্গী এলাকায় অভিযান চালিয়ে থেকে ডিএমপির কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের সদস্যরা জুলহাজ-তনয় হত্যা মামলার অন্যতম মূলহোতা আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করে।

পুলিশ জানায়, জুলহাজ ও তনয় হত্যায় সরাসরি অংশ নিয়েছিল আসাদুল্লাহ। আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সামরিক শাখার দাওরা প্রশিক্ষক ছিলেন তিনি। সংগঠনে ফখরুল, ফয়সাল, জাকির, সাদিকসহ একাধিক নামে পরিচিত।

২০১৬ সালে উত্তর বাড্ডায় পুলিশের ওপর হামলা করে অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় সন্দেহভাজন এই আসাদুল্লাহ। আনসারুল্লাহ টিমে যোগদানের আগে সে যশোরের নওয়াপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের কর্মী ছিল।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ২৫ এপ্রিল বিকালে পার্সেল দেয়ার কথা বলে কলাবাগানের লেক সার্কাস এলাকায় ৫/৭ যুবক জুলহাজ মান্নানের বাসায় ঢুকে তাকে এবং তার বন্ধু তনয়কে কুপিয়ে হত্যা করে।

ইউএসএআইডি কর্মকর্তা জুলহাজ মান্নান সমকামীদের অধিকার নিয়েও কাজ করতেন। তিনি সমকামীদের নিয়ে সাময়িকী ‘রূপবান’ এর সম্পাদকও ছিলেন। আর মাহবুব রাব্বী তনয় ছিলেন লোকনাট্য দলের কর্মী। পিটিএ নামে একটি প্রতিষ্ঠানে ‘শিশু নাট্য প্রশিক্ষক’ হিসেবেও তিনি কাজ করতেন।

জুলহাজ-তনয় হত্যাকাণ্ডের পর আল-কায়েদা ভারতীয় উপমহাদেশ (একিউআইএস) শাখা ঘটনার দায় স্বীকার করলেও পুলিশ অভিযুক্ত করে দেশীয় নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমকে।

সব শেষ গত বছর ২২ জুলাই এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে শেখ আবদুল্লাহ ওরফে জুবায়ের ওরফে জায়েদ ওরফে জাবেদ ওরফে আবু ওমায়ের নামে আনসার আল ইসলামের (এবিটি) শুরা সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়।